১০০% অরজিনাল জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম

nid card এর পূর্ণরূপ হল national identity card. ন্যাশনাল আইডি কার্ড বা ভোটার আইডি কার্ড একজন নাগরিকের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখন খুব সহজে ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মাত্র ২-৫ মিনিটেই nid card download বা অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন, জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইনে যাচাই করতে পারবেন, অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করতে পারবেন, জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইনেই তথ্য সংশোধন করতে পারবেন। অনলাইনে nid card online copy download করার উপায় এবং অরজিনাল জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি ডাউনলোড করার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা হল। যারা নির্বাচন অফিসে নতুন ছবি তুলেছেন কিন্তু এনআইডি কার্ড পাননি তারা এখন নেট থেকে অরজিনাল জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। ভোটার নিবন্ধন ফর্মের স্লিপ নম্বর ব্যবহার করে nid অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। অথবা national id card হারিয়ে গেছে এবং চিন্তায় আছেন national id card হারিয়ে গেলে কি করব, national id card কিভাবে বের করবো, nid card কিভাবে পাব, id card বের করার নিয়ম কি? কিন্তু এনআইডি নম্বরটি যদি কোথাও লেখা থাকে তাহলেও আপনি এই পদ্ধতিতে nid card net copy download করতে পারবেন। স্মার্ট কার্ড প্রসেসিং করতে সময় লাগতেছে। তাই স্মার্ট কার্ড না আসা পর্যন্ত এই কার্ড দিয়ে অনেক কাজ সেরে ফেলতে পারবেন। তাহলে চলুন step by step nid card download করে ফেলি।

nid card download
nid card download

nid card download করার উপায়

স্টেপ ১ NID নাম্বার সংগ্রহ (nid card online copy download)
সর্ব প্রথমে আপনাকে অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার সংগ্রহ করতে হবে। আপনি যদি নতুন ভোটার হয়ে থাকেন। এবং nid কার্ডের জন্য ছবি তুলেন তাহলে আপনার কাছে ভোটার আইডি নাম্বার থাকবেনা এটাই স্বাভাবিক। আর পুরাতন ভোটার হলে সরাসরি রেজিস্টার অপশনে চলে যান।

৩ টি উপায়ে nid নাম্বার সংগ্রহ করা যায়

  1. এসএমএস এর মাধ্যমে
  2. ১০৫ নাম্বারে ফোন করে এবং
  3. ওয়েবসাইটে ভোটার তথ্য।

এসএমএস এর মাধ্যমে NID নাম্বার সংগ্রহ করার উপায়



sms এর মাধ্যমে খুব সহজেই জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার বের করতে পারবেন। এতে কোন ঝামেলা নাই, নির্দিষ্ট কোন সময় নাই যখন ইচ্ছা তখন, এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার সম্পূর্ণ ফ্রিতে পাবেন কোন এসএমএস চার্জ কাটবে না। এজন্য, মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুন nid স্পেস দিয়ে ফরম নাম্বার স্পেস দিয়ে জন্ম তারিখ (দিন-মাস-বছর)। মেসেজটি পাঠান ১০৫ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার পাবেন।

যেমনঃ NID 5678340 03-01-2002

১০৫ নাম্বারে ফোন করে জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার সংগ্রহ করার উপায়

১০৫ নাম্বারে ফোন করে ৯ চাপতে হবে তারপর একজন অপারেটর রিসিভ করবে তাকে উপযুক্ত তথ্য দিতে পারলে আপনাকে nid নাম্বার বলে দিবে অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার লিংক পাঠিয়ে দিবে। এই মাধ্যমে সবচাইতে বড় ঝামেলা হচ্ছে প্রতিনিধিরা সবসময় ব্যাস্ত থাকে। আপনাকে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতে পারে। সময়; রবি-বৃহস্পতি, সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।

ওয়েবসাইট থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংগ্রহ করার উপায়

ওয়েবসাইটের এই লিংকে ক্লিক করুন। তারপর ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা সঠিকভাবে পূরণ করে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার সংগ্রহ করতে পারেন। সার্ভার ডাউন থাকলে পুনরায় ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা সঠিকভাবে পূরণ করুন।

nid card download bd
nid card download



স্টেপ ২ – অনলাইন রেজিস্ট্রেশন
আপনি যদি জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বার পেয়ে থাকেন তাহলে এই লিংকে ক্লিক করুন। তারপর এইরকম একটি পেজ আসবে।

nid card download register
nid card download register
  • প্রথম ফাকা ঘরে আপনার সংগ্রহকৃত জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার লিখুন।
  • ভোটার নিবন্ধন ফরমে যেই জন্মতারিখ দিয়েছেন সে অনুযায়ী জন্মতারিখ লিখুন।
  • ভেরিফিকেশন ক্যাপচা পূরণ করুন।
  • এখন সাবমিট করুন।

এরপর একটি নতুন পেজ আসবে। সেখানে আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা লিখুন।

nid card download address fill up
nid card download address fill up

পরবর্তী বাটনে ওকে করলে আপনার একটি মোবাইল নাম্বার চেয়ে একটি ফর্ম আসবে।

nid card download phone number set
nid card download phone number set

এখানে যে কোন সচল নাম্বার দিতে হবে। কারণ একটি কোড নাম্বার আসবে। এরপর ‘বার্তা পাঠান’ বাটনে ক্লিক করুন।

nid-card-download-কোড
nid-card-download-কোড

এরপর একটি মেসেজ আসবে। SMS এ প্রাপ্ত ভেরিফিকেশন কোডটি সাইটের খালি ঘরে প্রবেশ করিয়ে “বহাল” বাটন ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান।

nid card download set password
nid card download set password

এর পরের পেজে সেট পাসওয়ার্ড অপশনে ক্লিক করুন। এবং পাসওয়ার্ড সেট করে ফেলুন।

এরপর নতুন যে পেজটি আসবে সেখানে আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রদান করুন। উল্লেখ্য যে, পরবর্তীতে অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার জন্য এই সাইটে লগিন করতে প্রদানকৃত ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দরকার হবে।

এরপর আপডেট বাটনে ক্লিক করলেই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।

স্টেপ ৩ – NID Login
রেজিস্ট্রেশন হলে লগইন করার জন্য এই লিংক ভিজিট করুন


এই পেজে “লগইন করুন” বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে নিচের পেজটি আসবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড লগইন
nid card download লগইন

স্টেপ ৪ – nid card download

nid card download
nid card download

জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন সংশোধন করার নিয়ম


বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জনের ক্ষেত্রে আমাদের জাতীয় পরিচয় পত্রে ভুল চলে আসে এটা অসাবধানতাবশত অথবা সার্টিফিকেটে ভুল ইনফরমেশনের জন্য অথবা তথ্য সংগ্রহকারীর অসাবধানতার কারণে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধনের আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করা হচ্ছে। ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন আবেদন আগে সরাসরি আপনার নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে অথবা আগারগাঁও হেড অফিসে গিয়ে করতে হতো। বর্তমানে অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন এর আবেদন করা যাচ্ছে। ভোটার আইডি কার্ড ভুল সংশোধন ফি 230 টাকা। এটি আপনি রকেট অ্যাকাউন্ট থেকেও পরিশোধ করে দিতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের বানান ভুল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আপনি যদি এসএসসি পাস হয়ে থাকেন তাহলে আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট, যদি অষ্টম শ্রেণী পাস হয়ে থাকেন তাহলে অষ্টম শ্রেণির সার্টিফিকেট, অথবা আপনি যদি বিরক্ত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্ম নিবন্ধন এর ডিজিটাল কপি ( কিছু ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এফিডেভিট এর দরকার হতে পারে ) ।

জাতীয় পরিচয়পত্রের বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আপনি যদি এসএসসি পাস হয়ে থাকেন তাহলে আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট, যদি অষ্টম শ্রেণী পাস হয়ে থাকেন তাহলে অষ্টম শ্রেণির সার্টিফিকেট, অথবা আপনি যদি বিরক্ত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্ম নিবন্ধন এর ডিজিটাল কপি ( কিছু ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এফিডেভিট এর দরকার হতে পারে )

জাতীয় পরিচয়পত্রে বাবা অথবা মায়ের নাম পরিবর্তন অথবা আংশিক সংশোধন করার নিয়ম

অনেকের ভোটার আইডি কার্ডে বাবা মায়ের নামের বানান ভুল আসে। সে ক্ষেত্রে শুধু এসএসসি সার্টিফিকেট এবং জন্ম নিবন্ধন হলেই আবেদন করা যাবে । এবং বাবা-মায়ের এনআইডি কপি লাগবে।


আবার অনেকের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রে বাবা মায়ের নামের প্রথম অংশ বা দ্বিতীয় অংশ পুরোটাই ভুল আসে ।

এতে আপনাকে এসএসসি সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন, বাবা অথবা মা যার নাম ভুল আছে তার এনআইডির নাম্বার এবং স্ক্যান কপি ।
যাদের এসএসসির সার্টিফিকেট নেই অথবা বাবা-মায়ের এনআইডি কার্ড নেই সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই প্রথম শ্রেণীর গ্রাজুয়েট ম্যাজিস্ট্রেট থেকে এফিডেভিট করতে হবে ।

জাতীয় পরিচয়পত্রে রক্তের গ্রুপ সংশোধন করার নিয়ম

রক্তের গ্রুপ যদি NID কার্ড এ না আসে সে ক্ষেত্রে আপনাকে মেডিকেল সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে আপনার রক্তের গ্রুপ টেস্ট করাতে হবে ,

nid কার্ডে স্বাক্ষর সংশোধন করার নিয়ম

জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বাক্ষর সংশোধন একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনার স্বাক্ষরটি যদি ভুল হয়ে থাকে বা এটি কি আপনি পরিবর্তন করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ব্যাংকের স্বাক্ষর অথবা চেকের স্বাক্ষর অথবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিলে আপনার স্বাক্ষর এর কপি জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে তারা এটা যাচাই-বাছাই করে দেখবে এবং প্রয়োজন সাপেক্ষে আপনাকে অফিসে ডাকতে পারে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পরিবর্তন করার নিয়ম

জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে সরাসরি নির্বাচন অফিসে যেতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন করার নিয়ম

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার বর্তমান বাসা অথবা বাড়ির ইউটিলিটি বিলের কপি যেমন বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিল এই বিলের কপি আপনাকে প্রদান করতে হবে । চার্জ 230 টাকা।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের স্বামী অথবা স্ত্রীর নাম পরিবর্তন করার নিয়ম

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের স্বামী অথবা স্ত্রীর নাম পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলে তার ডেট সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে অথবা তালাকপ্রাপ্ত হলে তালাকনামা সংযুক্ত করতে হবে। নতুন বিবাহ করলে তাকে ম্যারেজ সার্টিফিকেট সংযুক্ত করতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র অনলাইন কপি দিয়ে কি কি করতে পারবেন?

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করলে এটাই আসল কপি কিন্তু অনলাইন ভার্শন বা ডিজিটাল সিস্টেমে জেনারেট করা। ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি থাকলেও আপনি নির্বাচন অফিস থেকে পরবর্তীতে NID card নিতে পারবেন। এই জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড এবং প্রিন্ট করে, লেমিনেটিং করে অনেক জায়গায় ব্যাবহার করতে পারবেন। যেমনঃ
বিকাশ অ্যাকাউন্ট করতে পারবেন (Bkash Account)
রকেট অ্যাকাউন্ট করতে পারবেন (Rocket Account)
নগদ অ্যাকাউন্ট করতে পারবেন (Nogod Account)
জাতীয়তা চিহ্নিত (Identify nationality)
ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving license)
পাসপোর্ট (Passport)
সম্পত্তি / জমি (Buy / Sell Property / Land)
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (Open Bangladeshi bank account)
বিন সুবিধা (Bin facilities)
শেয়ার-বিও অ্যাকাউন্ট রক্ষণাবেক্ষণকারী (Share-BO account maintainers)
ব্যবসায় বাণিজ্য লাইসেন্স (Business Trade License)
যানবাহন রেজিস্ট্রেশন (Registration of vehicles)
বীমা পরিকল্পনা (Insurance Scheme)
বিবাহ নিবন্ধন (Marriage registration)
ই-পাসপোর্ট (E-passport)
ই-গভর্ন্যান্স (E-Governance)
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ (Gas and electricity connection)
মোবাইল কানেক্ট (Mobile Connect)
স্বাস্থ্য কার্ড (Health card)
ই-নগদ (E-cash)
ব্যাংক লেনদেন এবং (Bank transactions and)
শিক্ষার্থীদের অ্যাক্সেস এবং আরও অনেক কিছু। (Student access and more)

বিদ্র আপনি যদি NID card download করতে না পারেন বা সংশোধনে কোন সমস্যা হয় তাহলে আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন। অথবা জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করতে আপনার নাম, আপনার বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা (বিভাগ, জিলা, উপজিলা), এবং একটি সচল ফোন নাম্বার লিখে আমাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ দেন। ফেসবুক লিংকে ক্লিক করুন এখানে
যতটুকু পারি হেল্প করার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ

আরো পড়ুন: গুগল থেকে কিভাবে আয় করা যায়?
অনলাইনে আয়ের সেরা উপায় কি?
অনলাইন থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »